জুলাই সনদের ১ বছর: কিছু মৌলিক সংস্কার প্রস্তাবে মতপার্থক্য রয়ে গেছে
রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাঠামোগত সংস্কারের রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে তৈরি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ স্বাক্ষরের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। তবে সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি এবং কিছু মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বড় ধরনের বিভাজন ও টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে।
২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোট এই সনদের অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেছিল। সনদের মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত। তবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা, উচ্চকক্ষ গঠন, এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিসহ বিভিন্ন প্রস্তাবে দলগুলোর ভিন্নমত বা 'নোট অব ডিসেন্ট' রয়েছে।
বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করে কাজ চালিয়ে গেলেও জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ বিরোধী দলগুলো সেই প্রক্রিয়া বর্জন করে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে, সাবেক ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ মনে করেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের সমর্থন পাওয়া এই সনদের রূপরেখা ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি থেকে সরে আসা রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ব্যত্যয়।
অনুরূপ সংবাদ
৪
৫