বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে ‘আ ডিপ্লোম্যাটিক ইভনিং-২০২৬’ শীর্ষক নৈশভোজের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সোমবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও দূতাবাসের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা ও দলটির সংসদ সদস্যরা অংশ নেন। উপস্থিত কূটনীতিকদের মধ্যে ছিলেন জার্মানি, ইরান, সিঙ্গাপুর ও ইরাকের প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া মালদ্বীপ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিসহ আরও কয়েকটি দেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
নৈশভোজে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ইতিহাস, ভিশন, মিশন, ভবিষ্যৎ অগ্রাধিকার এবং দেশের সামাজিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে দলটির দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়।
সমাপনী বক্তব্যে দলটির আমির মাওলানা মামুনুল হক নৈতিক দর্শন, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও নারীর অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, অর্থনীতি এবং পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ইসলামি মূল্যবোধকে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করে।
পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, ন্যায্য বাণিজ্য ও মানবিক সংলাপের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দলটি কোনো নির্দিষ্ট শক্তি বা বলয়ের পক্ষপাতী নয়; বরং জাতীয় স্বার্থ, পারস্পরিক সম্মান ও ভারসাম্যের ভিত্তিতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাসী।
সংখ্যালঘু ও নারীর অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় সনদে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অধিকারের নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নারীর ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় দলটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মামুনুল হক আরও বলেন, স্বাধীন বিচার বিভাগ ও মুক্ত গণমাধ্যম ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং জবাবদিহিমূলক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের নিন্দা
১৫ ঘন্টা আগে
বায়ুদূষণে শীর্ষে ঢাকা, মারাত্মক দূষণ নগরীর ৯ স্থানে
১৫ ঘন্টা আগে
কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ
১৫ ঘন্টা আগে