ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের উত্তেজনা, কেসি কলেজে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ
ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনার পর ক্যাম্পাসে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে আজ বৃহস্পতিবার কলেজের সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাসরুর উল আলম স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কায় ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।
কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ৫ অক্টোবর দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে ঝিনাইদহ শহরেও উভয় পক্ষ পৃথক মিছিল করে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা ছিল। তবে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ হওয়ায় অনুষ্ঠানটি সেখানে হওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শাহরিয়ার মাহবুব ইসলাম জানান, অনুষ্ঠানের জন্য অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
অন্যদিকে কেসি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজের অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের এক কর্মী প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন। তাঁরা পোস্টটি মুছে ফেলার জন্য ছাত্রশিবিরের নেতাদের বললে বিষয়টি নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয় এবং পরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় বলে দাবি করেন তিনি।
তবে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠান বাতিলের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান শাখা সভাপতি শাহরিয়ার মাহবুব ইসলাম। কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অনুরূপ সংবাদ
সব ইসলামি দল এক হয়েও ক্ষমতায় যেতে পারবে না, এত আস্ফালন কিসের: ড. খালিদ হোসেন
গণভোটের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখালে জনগণ লাল কার্ড দেখাবে: মামুনুল হক
ফ্যাসিবাদী আমলে শিক্ষাব্যবস্থাকে চরমভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত করা হয়েছিল: রিজভী