জামায়াতে ইসলামীর সাম্প্রতিক লং মার্চকে দেশের জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
সম্প্রতি এক সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি তেল-গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের লং মার্চ কর্মসূচি এবং একই বিষয়ে সংসদে দলটির বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলে দাবি করেন।
লং মার্চের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন
চরমোনাই পীরের বক্তব্য অনুযায়ী, তেল-গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী রাজপথে লং মার্চ করেছে। তবে সংসদে গিয়ে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেল-গ্যাস ও বিদ্যুৎ–সংক্রান্ত সমস্যাগুলো বর্তমান সরকারের সময়ে সৃষ্টি হয়নি।
এই দুই অবস্থানের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে তিনি লং মার্চ কর্মসূচির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
জ্বালানি ব্যয়ের প্রসঙ্গ
রেজাউল করীম বলেন, লং মার্চের মতো কর্মসূচিতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহারের ফলে দেশের অর্থ ও সম্পদের ব্যয় হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, তেল-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে গিয়ে কর্মসূচির কারণে আবারও জ্বালানি খরচ হয়েছে, যা দেশের জন্য ক্ষতির কারণ।
তিনি রাজপথে দেওয়া বক্তব্য ও সংসদে দেওয়া বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্যকে ‘দ্বিমুখী আচরণ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য
চরমোনাই পীরের এই বক্তব্য জামায়াতে ইসলামীর লং মার্চ কর্মসূচি ও তেল-গ্যাসের মূল্যসংক্রান্ত রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্যের বিষয়টি সামনে এনেছে।
তবে এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে চরমোনাই পীরের বক্তব্যের কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অনুরূপ সংবাদ
বিশ্বজয়ী হাফেজদের বই উপহার ও আইনমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ হেফাজতের
জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোন ভাতা বাড়ল, কোন ভাতা কমল