মেঘনায় জালে ধরা পড়ল ২৪ কেজির বিশাল ব্ল্যাক কার্প, বিক্রি ১৭ হাজার ৫০০ টাকায়
ভোলার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৪ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির একটি ব্ল্যাক কার্প মাছ। মাছটি শুক্রবার সন্ধ্যায় ভোলার সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের তালতলী মাছঘাটে আনা হলে সেটি দেখতে স্থানীয় মানুষ ও যাত্রীদের ভিড় জমে যায়।
পরে মাছটি নিলামে ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। স্থানীয় ১৮ জন মিলে মাছটি ভাগ করে নেন।
জাল তুলতেই ধরা পড়ে বিশাল মাছ
মাছঘাট সূত্রে জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার জেলে মো. সুলতান সরদার শুক্রবার দুপুরে জোয়ারের সময় মেঘনা নদীতে জাল ফেলেন। পরে জাল টানার সময় বিশাল আকৃতির মাছটি ধরা পড়ে।
মাছটি তালতলীর ফকির দালালের আড়তে নেওয়া হলে সেখানে স্থানীয় ক্রেতা ও আড়তদারদের মধ্যে দরদাম শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি বিক্রি হয়।
দেখতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ
২৪ কেজির মাছটি ঘাটে আনার পর সেটি দেখতে লঞ্চঘাটের যাত্রী ও স্থানীয় লোকজন ভিড় করেন। নৌকার জেলেরা জানান, এত বড় ব্ল্যাক কার্প তাঁরা আগে খুব একটা দেখেননি। মাছটি জালে ওঠার পর জেলেদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশে দেশীয় মাছ নয় ব্ল্যাক কার্প
ভোলা সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভুঁইয়া জানান, ছবির ভিত্তিতে মাছটিকে ব্ল্যাক কার্প বলেই মনে হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের দেশীয় মাছ নয়; পূর্ব এশিয়া, বিশেষ করে চীন অঞ্চলের স্বাদুপানির কার্পজাতীয় মাছ।
বাংলাদেশে সীমিত পরিসরে পুকুরে ব্ল্যাক কার্পের চাষ করা হয়। এ মাছের প্রধান খাদ্য শামুক ও ঝিনুক। নদীতে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য ও অনুকূল পরিবেশ পেলে এ মাছ দ্রুত বড় হতে পারে।
মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, পুকুরে সাধারণত ১০ থেকে ১২ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প দেখা গেলেও নদীতে প্রাকৃতিক পরিবেশে এটি ৩০ কেজি বা তারও বেশি ওজনের হতে পারে। বর্ষা বা বন্যার সময় চাষের পুকুর থেকে মাছ নদীতে চলে গিয়ে সেখানে টিকে থাকলে বড় আকার ধারণ করতে পারে।
অনুরূপ সংবাদ
নাটোরে ভূমি কার্যালয়ে আবারও চুরি, সিসিটিভির ডিভিআরসহ কম্পিউটার খোয়া গেছে
ঘুষ কম দেওয়ায় সেবাগ্রহীতাকে হুমকি, ভূমি অফিসের কর্মচারী বদলি
মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা-লুটপাট, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো পুরো স্থাপনা