গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় কমিটিতে রাখা নিয়ে বিতর্ক, শেষ পর্যন্ত নাম বাদ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে (জি এম নজরুল ইসলাম) সংসদীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি ঘিরে জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ব্যাপক বিতর্ক ও বাকযুদ্ধ হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর বিরোধী দলের আপত্তির মুখে পুনর্গঠিত ‘সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটি’ থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ‘সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব পেশ করলে তা পাস হয়। তবে প্রস্তাবিত কমিটিতে গাজী নজরুল ইসলামের নাম দেখে আপত্তি জানান বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
বিরোধীদলীয় নেতা জানতে চান, গাজী নজরুলকে বিরোধী দলের কোটা থেকে সদস্য করা হয়েছে কি না। জবাবে চিফ হুইপ জানান, তাঁকে বিরোধী দলের কোটা থেকে রাখা হয়নি; বরং সংসদের সব সদস্যকে অন্তত একটি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার অংশ হিসেবেই রাখা হয়েছে। চিফ হুইপ বলেন, "যতক্ষণ পর্যন্ত ওনার সদস্যপদ না যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি সব সদস্যকে রাখব। সংসদ সদস্য পদে বহাল থাকা পর্যন্ত তিনি অবদান রাখার সুযোগ পেতে পারেন।"
এ বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও আলোচনায় অংশ নেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দল থেকে বহিষ্কার হলেই সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদ শূন্য হয় না। ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর করার বিষয়ে বিরোধী দলকে একটি গঠনমূলক পরামর্শ বা ‘ফ্রি বুদ্ধি’ দেন তিনি। তবে বিরোধীদলীয় নেতা তা নাকচ করে দিয়ে বলেন, ফ্লোর ক্রসিংয়ের অজুহাতে নয়, বরং নৈতিক কারণেই তাঁকে কোনো কমিটিতে রাখা উচিত নয়।
পরবর্তীতে সার্বিক আলোচনা ও বিরোধী দলের অনুরোধের প্রতি সম্মান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রস্তাবের ভিত্তিতে গাজী নজরুল ইসলামের নাম বাদ দিয়ে সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটি পুনর্গঠন করা হয়।
উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার জের ধরে গত ২২ জুলাই গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। তাঁর সংসদ সদস্য পদ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে স্পিকার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হলেও এ বিষয়ে স্পিকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় তিনি এখনো সংসদ সদস্য হিসেবে বহাল আছেন।
ভারতে পাট পাচার কেন বাড়ছে, ক্ষতি কার?
৮ ঘন্টা আগে
ভূমিধসে তিস্তা অবরুদ্ধ, এখন কেমন পরিস্থিতি?
৮ ঘন্টা আগে
সাক্ষরতায় এগোলেও প্রশ্ন রয়ে গেছে বাংলাদেশে
৯ ঘন্টা আগে
পাবনায় বিএনপি নেতাকে গুলি করে কুপিয়ে হত্যা
৯ ঘন্টা আগে