সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে নোয়াখালীতে জমি দখলের অভিযোগ
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় গ্রেপ্তার শাহরিয়ার মাহমুদের বিরুদ্ধে এবার নিজ এলাকা নোয়াখালীতে ওয়াক্ফ সম্পত্তি ও সাধারণ মানুষের জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার বিকেলে নোয়াখালী সদর উপজেলার দক্ষিণ সালেহপুর মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় বাসিন্দা ও মুসল্লিরা এসব অভিযোগ করেন। তাঁদের দাবি, শাহরিয়ার মাহমুদ দক্ষিণ সালেহপুর গ্রামের কয়েকটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওয়াক্ফ সম্পত্তি দখল করে রেখেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দক্ষিণ সালেহপুর জামে মসজিদ ওয়াক্ফ এস্টেট, দারুল উলুম হামিদিয়া মাদ্রাসা ওয়াক্ফ এস্টেট এবং দক্ষিণ সালেহপুর হামিদুলিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা ওয়াক্ফ এস্টেটের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ তোলা হয়।
অভিযোগকারীরা বলেন, আদালতের স্থগিতাদেশ ও ওয়াক্ফ প্রশাসনের নির্দেশ উপেক্ষা করে এসব সম্পত্তিতে ঘরবাড়ি, টয়লেটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া ভুয়া রসিদ বই ব্যবহার করে অর্থ উত্তোলন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগও করেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন, ঢাকায় সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ স্টুডিও’ ভাঙচুরের ঘটনায় শাহরিয়ার মাহমুদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর স্থানীয় ভুক্তভোগীরা তাঁদের অভিযোগ প্রকাশ্যে আনছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শাহরিয়ার মাহমুদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয়ভাবে তাঁর পক্ষের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, দক্ষিণ সালেহপুর জামে মসজিদ ওয়াক্ফ এস্টেট নিয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। অভিযোগটি সরেজমিনে তদন্তের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।