সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। তিনি বর্তমান সরকারকে সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “সীমান্তে লাশ মাড়িয়ে দুটো দেশের সত্যিকারের বন্ধুত্ব হতে পারে না।”
শুক্রবার (১৫ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও আগের অবস্থানের স্মৃতিচারণ
গত ১৩ মে লালমনিরহাটের আমঝোল সীমান্তে খাদেমুল ইসলাম নামে এক যুবক বিএসএফের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনার সূত্র ধরে আসিফ নজরুল লেখেন, “বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সীমান্তে এমন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আরও ঘটেছে। এসব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করছি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থাকার সময়ও তারা এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের শক্ত প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং ভারতের কাছে কৈফিয়ত তলব করেছেন। সেই সময় সীমান্তে বাংলাদেশের অবস্থান কঠোর ছিল বলেও তিনি দাবি করেন।
গ্রেফতার না করে সরাসরি গুলি কেন?
সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় ভারতীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসিফ নজরুল বলেন:
-
কেউ অবৈধভাবে সীমান্ত পার হতে গেলে তাকে গ্রেফতার করার আইনি সুযোগ রয়েছে।
-
প্রয়োজনে ফাঁকা গুলি করে ভয় দেখিয়ে থামানো যেতে পারে।
-
কিন্তু বাস্তবে গ্রেফতার বা আহতের ঘটনার চেয়ে সরাসরি গুলিতে নিহতের খবরই বেশি পাওয়া যায়, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান
অধ্যাপক আসিফ নজরুল তার পোস্টে স্পষ্ট করে বলেন, দেশের মানুষের জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের প্রাথমিক দায়িত্ব। তিনি বর্তমান বিএনপি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “বিএনপি সরকারকে এই হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।”
দুই দেশের সুসম্পর্কের ভিত্তি হতে হবে পারস্পরিক সম্মান ও জীবনের নিরাপত্তা, কোনোভাবেই রক্তপাত নয়—এমন বার্তাই ফুটে উঠেছে তার এই লেখায়।
অনুরূপ সংবাদ
গণভোট নিয়ে কী বলছেন সাবেক উপদেষ্টারা? 'বিএনপির অবস্থান আগে জানলে চিত্র ভিন্ন হতো'
৯ জেলায় নতুন এডিসি: ২০ মে’র মধ্যে যোগদানের নির্দেশ
কুয়ালালামপুরে মির্জা আব্বাসকে দেখে এলেন মাসুদ সাইদী
দুর্নীতি ও মাদকের প্রশ্নে কোনো ছাড় নয়, এমনকি আপন ভাইকেও না: ডেপুটি স্পিকার
হামের সংকট নিয়ে যা জানালেন তাসনিম জারা
৩ ঘন্টা আগে
৯ জেলায় নতুন এডিসি: ২০ মে’র মধ্যে যোগদানের নির্দেশ
১৪ ঘন্টা আগে