তিস্তা সংকটে ভারতের জন্য বসে থাকবে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিস্তা নদীর পানি সংকট সমাধানে ভারত চুক্তিতে সই করবে কি না, তার জন্য অনির্দিষ্টকাল অপেক্ষা করবে না বাংলাদেশ। উত্তরাঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিকল্প সব উপায় নিয়ে কাজ করবে ঢাকা। চীন সফরের আগে মঙ্গলবার (৫ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
তিস্তা প্রকল্পে চীনের গুরুত্ব:
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বেইজিং সফরের কথা উল্লেখ করে খলিলুর রহমান বলেন, “তিস্তা আমাদের উত্তরাঞ্চলের বাঁচা-মরার লড়াই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আমাদের সরকারের স্পষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে এই অঞ্চলের মানুষের স্বার্থ রক্ষার। চীনের সঙ্গে আমাদের কৌশলগত সম্পর্ক রয়েছে এবং এই সফরে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আমরা যেভাবে পারি, যে ক’টি উপায় আছে, সবগুলো নিয়ে কাজ করব। আমাদের কাছে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থই সবার আগে।”
ভারত ও পশ্চিমবঙ্গ প্রসঙ্গ:
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে বিজেপির বড় জয়ের পর তিস্তা নিয়ে ভারতের অবস্থান কী হতে পারে—এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সেখানে এখনও সরকার গঠন হয়নি। তারা কী ভাবছে তা না জেনে মন্তব্য করা সম্ভব নয়। ভারতের কাছে প্রত্যাশা থাকবে যে চুক্তিটি হয়েছিল তা বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে তারা বিবেচনা করবে কি না। তবে এর জন্য আমরা কাজ থামিয়ে বসে থাকতে পারি না।”
আসাম থেকে ‘পুশ-ইন’-এর আশঙ্কার বিষয়ে তিনি বলেন, আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে বাংলাদেশ কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর:
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী জুনের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের প্রস্তুতি চলছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে মূলত প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিষয়বস্তু ও সম্ভাব্য চুক্তিগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। চীনের প্রস্তাবিত গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই) ও গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ (জিএসআই)-সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক উদ্যোগে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি যৌথ বিবৃতিতে স্থান পেতে পারে।
প্রেক্ষাপট:
তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দিল্লির কাছ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া না পেয়ে নিজস্ব অংশে পানি সংরক্ষণ ও নদী ব্যবস্থাপনায় মনোযোগ দিয়েছে ঢাকা। ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্টের ঢাকা সফরের সময় থেকেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নদী খনন ও ভূমি পুনরুদ্ধারের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুরূপ সংবাদ
জ্বালানি তেলের দাম অন্যান্য দেশের তুলনায় নিয়ন্ত্রণে: মাহদী আমিন
সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতির শপথ গ্রহণ
চতুর্থ দিনে ডিসি সম্মেলন, চলছে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা
মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ‘ঊন মানুষ’ বিবেচনা করে নির্যাতন করা হয়েছে: আখতার হোসেন
থালাপতির সরকার গঠন প্রায় নিশ্চিত, কী সেই সমীকরণ
৭ ঘন্টা আগে
কেন বড় হয় প্রোস্টেট, কী বলছেন চিকিৎসকরা
৮ ঘন্টা আগে
থালাপতির সরকার গঠন প্রায় নিশ্চিত, কী সেই সমীকরণ
৭ ঘন্টা আগে
জবি ছাত্রদল নেত্রী নেলী সাময়িক বহিষ্কার
২ দিন আগে
সুখবর দিয়ে আলোচনায় মাহিয়া মাহি
১৯ ঘন্টা আগে