বিএনপি হাইকমান্ডের বারবার সতর্কবার্তা সত্ত্বেও তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মীর বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং এমনকি সংসদ সদস্যদের ওপর হামলার মতো ঘটনায় দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় এখন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরাম। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সাম্প্রতিক কিছু নেতিবাচক ঘটনা
গত এক মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে:
-
রাজশাহী: গত মঙ্গলবার রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) ভবনে পুলিশের উপস্থিতিতেই টেন্ডার বাক্স ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের বিরুদ্ধে। ঘটনার রাতেই জড়িত থাকার অভিযোগে মহানগর যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়।
-
কুমিল্লা: বাস টার্মিনালে চাঁদাবাজির অভিযোগে কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে পুলিশ। তবে তার অনুসারীরা ১২ ঘণ্টা থানা ঘেরাও করে রাখলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে তাকে শর্তসাপেক্ষে ছেড়ে দেওয়া হয়।
-
নেত্রকোণা ও নোয়াখালী: নেত্রকোণা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা এবং নোয়াখালীর হাতিয়ার সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের (এনসিপি) গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। দুটি ঘটনাতেই স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে, যার প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের বহিষ্কার করা হয়েছে।
সংসদে নালিশ ও নেতাদের অবস্থান
সংসদ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় জাতীয় সংসদে স্পিকারের কাছে নালিশ জানানো হয়েছে, যা নিয়ে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। এর প্রেক্ষিতে জেলা পর্যায়ের নেতারা কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছেন। চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অপকর্মে জড়িতদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের ঘুম হারাম করে দেওয়া হবে। কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. আনোয়ার হোসেন জানান, দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে সাথে সাথে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
হাইকমান্ডের কঠোর নীতি
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, “৫ই আগস্টের পর থেকে এ পর্যন্ত ৭ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিএনপি সরকার গঠনের পরও এই শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি করলে তাকে কোনোভাবেই রেহাই দেওয়া হবে না। এটিই আমাদের নীতি-নির্ধারণী ফোরামের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।”
সম্প্রতি প্রশাসন দেশব্যাপী চাঁদাবাজদের যে তালিকা করেছে, তাতে বিএনপির কেউ থাকলেও তাকে ছাড় না দেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।
মাদকসহ বিএনপি নেতার ছেলে আটক
৪ ঘন্টা আগে
মশাবাহিত বিরল রোগে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের মৃত্যু
৪ ঘন্টা আগে
এবার নেতাদের উদ্দেশ্যে কঠোর বার্তা দিলেন বিএনপি
১৬ ঘন্টা আগে
নতুন ভাইরাস ‘হান্টাভাইরাস’ নিয়ে সতর্কবার্তা
১৭ ঘন্টা আগে
হঠাৎ এনসিপির নেত্রী মাহমুদা আলম মিতুর পোস্ট
১৭ ঘন্টা আগে
হঠাৎ এনসিপির নেত্রী মাহমুদা আলম মিতুর পোস্ট
১৭ ঘন্টা আগে
তেলের বাজারে বড় পরিবর্তনের আভাস
১ দিন আগে
ফজলুর রহমানকে ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
২৩ ঘন্টা আগে
এবার নেতাদের উদ্দেশ্যে কঠোর বার্তা দিলেন বিএনপি
১৬ ঘন্টা আগে